প্রকল্প সমূহ

অনলাইনে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র

বাংলা অপটিক্যাল চিহ্ন সনাক্তকারী


ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক সব সেবা আদান-প্রদান সহজতর করার কাজ করছে সরকার। এর ফলে যেসব সেবার জন্য আগে নানা জায়গায় ছুটতে হতো, সেটা ঘরে বসে কম্পিউটারে কিংবা মোবাইল ফোনে ক্লিক করেই পাওয়া যাচ্ছে। আর সেজন্য অনলাইনের তথ্যে জনগণের অভিগম্যতা বাড়াতে তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ ও প্রাপ্তির পথ হওয়া উচিত সবচেয়ে সহজ ও আধুনিক। ভূমি ও আইন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিভাগের দুষ্প্রাপ্য দলিলপত্র সহজে পাওয়ার পথ সুগম করার প্রকল্প ‘বাংলা অপটিক্যাল চিহ্ন সনাক্তকারী’।

চিহ্নিত সমস্যা এবং প্রস্তাবিত সমাধান

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজে তথ্য-উপাত্ত ‘প্রিন্টেড ডকুমেন্ট’ হিসেবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে; কিন্তু সেগুলো সাজানো এবং বাছাই করা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। এর ফলে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হচ্ছে ভূমি ও আইন সংক্রান্ত বিভাগসমূহ। কারণ, এই বিভাগগুলোতেই পুরনো দলিলপত্র বারবার খুঁজে বের করতে হয়। সেসঙ্গে হাতে লেখা অথবা প্রিন্টেড আকারে থাকা ওই দলিল পত্রাদি সফট কপিতে রুপান্তর করাও অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ।

এ টু আই-এর সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড এবং ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলা অপটিক্যাল চিহ্ন সনাক্তকারী’ নামে সফটওয়্যার তৈরি করছে, যাতে স্ক্যান্ড কাগজ বা দলিল সমূহকে সম্পাদন করা যায় এমন ওয়ার্ড ফাইলে এ রুপান্তর করে দিবে। যেটাকে আবার সংযুক্ত করা যাবে সেটির জন্য নির্ধারিত বিভাগের ডাটাবেসে। এতে পুরোনো দলিলপত্র সহজেই খুঁজে পাওয়া যাবে। ফলে উপকৃত হবেন সেবাদাতা ও সেবাগ্রহীতা উভয়েই।