আবেদন -এর পদ্ধতি

উদ্ভাবনের স্বীকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতার জন্য চলমান কার্যক্রমে (সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড, সলভ-এ-থন, চ্যালেঞ্জ ফান্ড ইত্যাদি) যেভাবে আবেদন করবেন
Step 1

রেজিস্ট্রেশন / একাউন্ট তৈরি

রেজিস্ট্রেশন - এর পাতাতে গিয়ে আপনার নাম, ইমেইল এবং মোবাইল নম্বর পূরণ করে খুব সহজে তৈরি করুন আপনার একাউন্ট
Step 2

ইমেইল এবং মোবাইল নম্বর যাচাই

একাউন্ট তৈরির পর আপনার ইমেইল এ একটি ভেরিফিকেশন লিঙ্ক সহ ইমেইল এবং মোবাইলে চার সংখ্যার একটি ভেরিফিকেশন কোড এস.এম.এস আকারে যাবে; ইমেইল এর লিঙ্ক এ ক্লিক করুন এবং মোবাইল ভেরিফিকেশন কোড ব্যবহার করে আপনার একাউন্ট সচল করুন
Step 3

প্রোফাইলের তথ্য পূরণ

আপনার একাউন্ট এ লগইন করুন এবং প্রোফাইলের ছবি, পেশা ও অভিজ্ঞতার তথ্য পূরণ করে সম্পূর্ণ করুন আপনার প্রোফাইল
Step 4

নতুন আইডিয়া সাবমিট

আইডিয়া সাবমিট লিঙ্ক এ ক্লিক করুন, যে কার্যক্রমের আওতায় আবেদন/আইডিয়া জমা দিতে চান সেটি নির্বাচন করুন এবং আপনার আইডিয়াটি লিখে সংরক্ষণ করুন

নিবন্ধিত ব্যবহারকারী, প্রস্তাবিত আইডিয়া, আইডিয়া হতে গৃহীত প্রকল্প এবং সফল ভাবে সম্পন্ন প্রকল্প - এর সংখ্যা

নিবন্ধিত ব্যবহারকারী


১২৮০৮জন

প্রস্তাবিত আইডিয়া


৬৭৬৩টি

চলমান প্রকল্প


১৪৮৮টি

সফল ভাবে সম্পন্ন প্রকল্প


৪৮টি
logo

চলমান কার্যক্রম

উদ্ভাবনের স্বীকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতার জন্য চলমান কার্যক্রম

প্রকল্প সমূহ - এর সংক্ষিপ্ত তালিকা


বাংলা ও সি আর
অনলাইনে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র
ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্ষুদ্র, মাঝারি কিংবা বৃহৎ সব ধরনের ব্যবসায় কিংবা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করতে গেলে এই ছাড়পত্র অত্যাবশ্যক। কিন্তু সেটা পেতে জনগণকে ভোগান্তির শিকার হতে হয় নানাভাবে। অনলাইনেই যদি পাওয়া যায় সেই ছাড়পত্র, তবে সেটা কেমন হবে? সেটার পথ বের করতে সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের আওতায় এটুআই ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের অনলাইন সেবার পরিধি বর্ধিতকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
ডেভেলপমেন্ট অফ মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট ওয়েব পোর্টাল উইথ মোবাইল ইন্টারাক্টিভিটি
যাতায়াত কিংবা পণ্য পরিবহনে নানা মাধ্যমের দ্বারস্থ হয় আমরা। কিন্তু সেই পরিবহন প্রাপ্তিতে কতোটা সময় কিংবা চেষ্টা চালাতে হয় সেটা কম-বেশি সবার জানা। ওয়েবপোর্টালে কিংবা মুঠোফেনে যদি ঘরে বসেই ওই পরিবহন ভাড়া করা সংক্রান্ত সকল তথ্য পাওয়া যায়, তবে সেটা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা কিংবা যোগাযোগের পথ সুগম করে দিবে নিশ্চয়। তাই, সকল পরিবহনের সকল তথ্য এক জায়গায় করার জন্য এ টু আই-এর সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের প্রকল্প ‘মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট ওয়েব পোর্টাল ইনক্লুডিং মোবাইল ইন্টার্যাইক্টিভিটি’।
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জীবন বীমা কর্পোরেশনের বীমা দাবি প্রদান
অর্থের বিনিময়ে জীবন, সম্পদ বা মালামালের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি স্থানান্তরের আইনসিদ্ধ প্রক্রিয়া বীমা পদ্ধতি; সেটা জীবনবীমা, স্বাস্থ্যবীমা কিংবা অগ্নীবীমা যাহাই হোক না কেন। কিন্তু কিছু অসৎ ও প্রতারকের কারণে বীমার দাবিদাররা বঞ্চিত হন অনেক সময়। সেই প্রতারণা থেকে মুক্তির পথ খুঁজছে এ টু আই-এর সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের ‘মোবাইল ফোনে জীবন বীমা কর্পোরেশনের সেবা প্রদান’ প্রকল্প।
মাল্টিমিডিয়া টকিং বুক
বাংলাদেশের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের সংখ্যা আড়াই লাখে দাঁড়িয়েছে। এর মাঝে বহুসংখ্যক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছে, স্বাক্ষর রাখছে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার। কিন্তু তাদের জন্য সহায়ক ব্রেইল পদ্ধতির বই প্রাপ্তি ব্যয়বহুল ও সময় সাপেক্ষ। এর বিপরীতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বইয়ের অডিও এবং প্রতিবন্ধীদের উপযোগী বই তৈরির জন্য এটুআই প্রকল্পের সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের ‘মাল্টিমিডিয়া টকিং বুক’ প্রকল্প।
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ক্ষুদে বার্তাভিত্তিক সার্টিফিকেট গ্রহণপূর্বক বিবাহ নিবন্ধন
‘ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিচার্স ইন্সটিটিউটের(আইএফপিআরআই) এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৬ সাল থেকে ২০১৫ সালে ১৫ বছরের কম বয়সি মেয়েদের বিয়ের হার শতকরা ৫ দশমিক ৪ ভাগ, ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের বিয়ের হার ৩৭ দশমিক ৮ ভাগ৷ সব মিলিয়ে বাল্য বিবাহের হার শতকরা ৪৩ দশমিক ২ ভাগ৷ এমন হারের বাল্যবিবাহ নিরোধের জন্য জন্ম নিবন্ধন কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে বয়স নির্ধারিত হওয়া দরকার। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাল্যবিবাহ কীভাবে কমিয়ে আনা যায় সেই লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে ‘বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মোবাইল ফোনের ক্ষুদে বার্তাভিত্তিক সার্টিফিকেট গ্রহণপূর্বক বিবাহ নিবন্ধন প্রকল্প’। যার আংশিক আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে এ টু আই-এর সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড থেকে।
প্রযুক্তি হাতে জয়িতা
বাংলাদেশে তথ্যের অভিগম্যতায় অনেক পিছিয়ে আছে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগণ, বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে সেটার অভাব আরও প্রকট। সেজন্য নারীর উন্নয়ন সংক্রান্ত বহুবিধ তথ্য এক জায়গায় করা এবং সেগুলোর প্রাপ্তির পথ সহজ করা দরকার। আর ই-কমার্স প্রভূত প্রসারের এই সময়ে গ্রামীণ নারীদের জন্য ভার্চুয়াল মার্কেট প্লেস তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ। এটুআই সে লক্ষ্যে এগিয়ে এসেছে এবং সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের আওতায় এবং জয়িতা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় ‘প্রযুক্তি হতে জয়িতা’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
জরুরি সেবার মোবাইল ফোন অ্যাপ্লিকেশন
মোবাইল ফোনে আমরা কত কাজই না করি! কথা বলা, এসএমএস আদান-প্রদানের গণ্ডি পেরিয়ে এটার ব্যবহার অসংখ্য দিকে। আবার এর মধ্যেই যদি বাংলাদেশের সব পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতালের মতো জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের এলাকা ভিত্তিক সব নম্বর এবং ঠিকানা সংরক্ষিত থাকে সেটার উপযোগিতা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে নিশ্চয়। সেইসঙ্গে যদি নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাওয়ার দিকনির্দেশ থাকে সেটা হবে আরও সুবিধাজনক। এমনই চিন্তা থেকে ‘জরুরি সেবার মোবাইল ফোন অ্যাপ্লিকেশন’ প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে এ টু আই-এর সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড।
কৃষকের জানালা
বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ কৃষক প্রান্তিক এলাকায় থাকেন এবং তারা সুবিধাবঞ্চিত ও জ্ঞানসম্পন্ন নন। তাদের অধিকাংশ বালাইনাশক, শস্যের রোগসহ নানাদিক নিয়ে ওয়াকিফহাল নন। তাদের অনেকে বুঝতে পারেন না ফসলের ক্ষতি কেমন করে হলো। এসব কৃষকরা ফসলের সমস্যা চিহ্নিতকরণ, বালাইনাশক ব্যবহার ও পরিস্থিতি অনুযায়ী ফসল লাগানোর বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য পান না। এসব ক্ষেত্রে তাদের তথ্য প্রাপ্তির পথ করে দিতে এটুআই প্রোগ্রামের সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড (এসআইএফ)-এর সহায়তায় বাস্তবায়িত উদ্যোগ ‘কৃষকের জানালা’।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিশেষ ই-পরিষেবা
পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র(সিআরপি) থেকে প্রতিবছর প্রায় সাড়ে সাত হাজার মেরুদণ্ডের সমস্যার(Spinal Cord Injury) রোগীকে এবং প্রায় ৫০ হাজার অন্যান্য নানা রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকে। এই রোগীদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া বেশ ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। তাদেরকে কীভাবে বিশেষ ব্যবস্থায় কীভাবে পুনর্বাসনের অংশ হিসাবে নানা রকম তথ্য প্রদান করা যায় এবং তাদের জন্য তথ্যে সহজ অভিগম্যতা নিশ্চিত করার জন্য সিআরপি’র সহায়তায় এ টু আই সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের প্রকল্প ‘প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ই-পরিষেবা’ । প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে মিলেও একই রকমের উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে এ টু আই।
3D Printer ব্যবহার করে মানুষের কৃত্রিম হাত ও পা তৈরি
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির প্রতিবেদন অনুযায়ী সারা পৃথিবীর প্রায় ২.৭% মানুষ অঙ্গহানি সমস্যায় ভুগছে। বাংলাদেশে প্রতিদিন জন্মগত ও দুর্ঘটনাজনিত কারণে প্রচুর মানুষের অঙ্গহানি ঘটে। পঙ্গু হাসপাতালসহ সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে এদের চিকিৎসা দেয়া হলেও হানিত অঙ্গটি তাকে ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব হয় না, যার ফলে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা দিনে দিনে কমে চলেছে। শুধুমাত্র ঢাকা অঞ্চলে এই রকম পঙ্গু ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ। গুঁটি কয়েক ব্যক্তি অনেক টাকা খরচ করে উন্নত দেশগুলো থেকে কৃত্রিম অঙ্গ তৈরি করে আনছে, কিন্তু তাতেও অনেক সময় দেরী হয়। সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের সহায়তায় কয়েকজন ব্যক্তি উদ্ভাবক মিলে সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে একটি অত্যাধুনিক থ্রি ডি প্রিন্টার তৈরি করেছে যা ব্যাবহার করে মানুষের কৃত্রিম হাত ও পা তৈরি করে তা মানব শরীরে সংযোজন করা সম্ভব।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টেলিমেডিসিন প্রোগ্রাম
গ্রামাঞ্চলে চিকিৎসকের অপর্যাপ্ততা আর প্রান্তিক মানুষের সামর্থ্যের কথা বিবেচনায় নিয়ে টেলিমেডিসিন ছড়িয়ে দেওয়ার এই উদ্যোগ। যোগ্যতাসম্পন্ন ডাক্তারেরা শহরে বসেই গ্রামীণ রোগীদেরকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কথা বলে ও ছবি দেখে পরামর্শ দিতে পারবেন – বাংলাদেশে বেশ কটি দল এ চেষ্টা চালিয়েও যাচ্ছে। এ টেলিমেডিসিন ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগে স্টেথোস্কোপ, ইসিজি ইত্যাদি অনলাইন যন্ত্র তৈরী করে কম্পিউটারে জুড়ে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার নিজেরাই উন্নয়ন করেছে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সারাদেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।