৭২৮৫

নিবন্ধিত


৩৯৮৯

আইডিয়া


১৭৯

প্রকল্প


২৭

সম্পন্ন প্রকল্প


সম্পন্ন প্রকল্প-সমূহ

আমার সোনার বাংলা গানটি ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। এ গানের রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এই গানটি রচিত হয়েছিল।

  • be-photo

    বাংলা অপটিক্যাল চিহ্ন সনাক্তকারী

    বিস্তারিত

    ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক সব সেবা আদান-প্রদান সহজতর করার কাজ করছে সরকার। এর ফলে যেসব সেবার জন্য আগে নানা জায়গায় ছুটতে হতো, সেটা ঘরে বসে কম্পিউটারে কিংবা মোবাইল ফোনে ক্লিক করেই পাওয়া যাচ্ছে। আর সেজন্য অনলাইনের তথ্যে জনগণের অভিগম্যতা বাড়াতে তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ ও প্রাপ্তির পথ হওয়া উচিত সবচেয়ে সহজ ও আধুনিক। ভূমি ও আইন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিভাগের দুষ্প্রাপ্য দলিলপত্র সহজে পাওয়ার পথ সুগম করার প্রকল্প ‘বাংলা অপটিক্যাল চিহ্ন সনাক্তকারী’।

  • be-photo

    অনলাইনে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র

    বিস্তারিত

    ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ক্ষুদ্র, মাঝারি কিংবা বৃহৎ সব ধরনের ব্যবসায় কিংবা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করতে গেলে এই ছাড়পত্র অত্যাবশ্যক। কিন্তু সেটা পেতে জনগণকে ভোগান্তির শিকার হতে হয় নানাভাবে। অনলাইনেই যদি পাওয়া যায় সেই ছাড়পত্র, তবে সেটা কেমন হবে? সেটার পথ বের করতে সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের আওতায় এটুআই ‘পরিবেশ অধিদপ্তরের অনলাইন সেবার পরিধি বর্ধিতকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

  • be-photo

    মাল্টিমিডিয়া টকিং বুক

    বিস্তারিত

    বাংলাদেশের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের সংখ্যা আড়াই লাখে দাঁড়িয়েছে। এর মাঝে বহুসংখ্যক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করছে, স্বাক্ষর রাখছে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার। কিন্তু তাদের জন্য সহায়ক ব্রেইল পদ্ধতির বই প্রাপ্তি ব্যয়বহুল ও সময় সাপেক্ষ। এর বিপরীতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বইয়ের অডিও এবং প্রতিবন্ধীদের উপযোগী বই তৈরির জন্য এটুআই প্রকল্পের সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের ‘মাল্টিমিডিয়া টকিং বুক’ প্রকল্প।

  • be-photo

    মোবাইল এসএমএস সার্ভিসে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সেবা

    বিস্তারিত

    মানুষের সঙ্গে সরকারের প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ও পশু চিকিৎসকদের যোগাযোগের অভাবে প্রত্যন্ত অঞ্চল ও দুর্গম এলাকার হাঁস, মুরগী, গরু, মহিষ, ছাগল ভেড়া পালনকারী ও অন্যান্য খামারীদের কাছে সেবা ঠিকমতো পৌঁছায় না। কৃষক ও খামারীদের কাছে সহজে তথ্য পৌঁছে দিতে যে তথ্য ভান্ডার তৈরি করা প্রয়োজন এবং সেটার তথ্য এসএমএসে ছড়িয়ে দেওয়ার দিতে ‘গাজীপুর জেলার মোবাইল এস.এম.এস সার্ভিসের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সেবা প্রদান প্রকল্প’। প্রথমত গাজিপুর জেলা থেকে শুরু হওয়া প্রযুক্তিনির্ভর এই সেবা ক্রমান্বয়ে পৌঁছে দেয়া যাবে দেশের প্রতিটি জেলায়।

  • be-photo

    বস্ত্র পরিদপ্তরের ই-সেবা

    বিস্তারিত

    বাংলাদেশের যেকোনো টেক্সটাইল এবং গার্মেন্টস কারখানা পরিচালনায় বস্ত্র অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন নিতে হয়। এখন পর্যন্ত প্রায় সাত হাজার ৫৪২টি টেক্সটাইল মিল ও গার্মেন্টস কারখানা এটার নিবন্ধন নিয়েছে। সনাতন ব্যবস্থায় এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া বেশ দীর্ঘ ও সময় সাপেক্ষ। সেটা থেকে মুক্ত হতে এ টু আই-এর সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের আওতায় বস্ত্র পরিদপ্তরের উদ্যোগ ‘বস্ত্র পরিদপ্তরের ই-সেবা’।

  • be-photo

    বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ক্ষুদে বার্তাভিত্তিক সার্টিফিকেট গ্রহণপূর্বক বিবাহ নিবন্ধন

    বিস্তারিত

    ‘ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিচার্স ইন্সটিটিউটের(আইএফপিআরআই) এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২০০৬ সাল থেকে ২০১৫ সালে ১৫ বছরের কম বয়সি মেয়েদের বিয়ের হার শতকরা ৫ দশমিক ৪ ভাগ, ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের বিয়ের হার ৩৭ দশমিক ৮ ভাগ৷ সব মিলিয়ে বাল্য বিবাহের হার শতকরা ৪৩ দশমিক ২ ভাগ৷ এমন হারের বাল্যবিবাহ নিরোধের জন্য জন্ম নিবন্ধন কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে বয়স নির্ধারিত হওয়া দরকার। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাল্যবিবাহ কীভাবে কমিয়ে আনা যায় সেই লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে ‘বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মোবাইল ফোনের ক্ষুদে বার্তাভিত্তিক সার্টিফিকেট গ্রহণপূর্বক বিবাহ নিবন্ধন প্রকল্প’। যার আংশিক আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে এ টু আই-এর সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড থেকে।

  • be-photo

    প্রযুক্তি হাতে জয়িতা

    বিস্তারিত

    বাংলাদেশে তথ্যের অভিগম্যতায় অনেক পিছিয়ে আছে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগণ, বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে সেটার অভাব আরও প্রকট। সেজন্য নারীর উন্নয়ন সংক্রান্ত বহুবিধ তথ্য এক জায়গায় করা এবং সেগুলোর প্রাপ্তির পথ সহজ করা দরকার। আর ই-কমার্স প্রভূত প্রসারের এই সময়ে গ্রামীণ নারীদের জন্য ভার্চুয়াল মার্কেট প্লেস তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ। এটুআই সে লক্ষ্যে এগিয়ে এসেছে এবং সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের আওতায় এবং জয়িতা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় ‘প্রযুক্তি হতে জয়িতা’ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

  • be-photo

    শারীরিক প্রতিবন্ধীদের তথ্য ও সেবা কেন্দ্র

    বিস্তারিত

    আমাদের দেশের প্রায় সকল উদ্ভাবনী উদ্যোগ বা সুবিধা সমূহ সাধারণ সুস্থ জনগণ কেন্দ্রিক। কিন্তু যারা শারীরিক ভাবে অক্ষম বা প্রতিবন্ধী তাদের জন্য কিছুটা বিশেষ মনোযোগ প্রয়োজন। কারণ তাদের চাহিদা সাধারণ সুস্থ জনগণ থেকে কিছুটা ভিন্ন। মূল ধারার সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করা তাদের পক্ষে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এই মানুষদের সেবার ক্ষেত্র প্রস্তুত করার জন্য ‘শারীরিক প্রতিবন্ধীদের তথ্য ও সেবা কেন্দ্র’ প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ ভিজ্যুয়ালি ইমপ্যায়ার্ড সোসাইটি; যেটার সহযোগিতা দিচ্ছে এ টু আই-এর সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড।

  • be-photo

    জরুরি সেবার মোবাইল ফোন অ্যাপ্লিকেশন

    বিস্তারিত

    মোবাইল ফোনে আমরা কত কাজই না করি! কথা বলা, এসএমএস আদান-প্রদানের গণ্ডি পেরিয়ে এটার ব্যবহার অসংখ্য দিকে। আবার এর মধ্যেই যদি বাংলাদেশের সব পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতালের মতো জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের এলাকা ভিত্তিক সব নম্বর এবং ঠিকানা সংরক্ষিত থাকে সেটার উপযোগিতা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে নিশ্চয়। সেইসঙ্গে যদি নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাওয়ার দিকনির্দেশ থাকে সেটা হবে আরও সুবিধাজনক। এমনই চিন্তা থেকে ‘জরুরি সেবার মোবাইল ফোন অ্যাপ্লিকেশন’ প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে এ টু আই-এর সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড।

  • be-photo

    কৃষকের জানালা

    বিস্তারিত

    বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ কৃষক প্রান্তিক এলাকায় থাকেন এবং তারা সুবিধাবঞ্চিত ও জ্ঞানসম্পন্ন নন। তাদের অধিকাংশ বালাইনাশক, শস্যের রোগসহ নানাদিক নিয়ে ওয়াকিফহাল নন। তাদের অনেকে বুঝতে পারেন না ফসলের ক্ষতি কেমন করে হলো। এসব কৃষকরা ফসলের সমস্যা চিহ্নিতকরণ, বালাইনাশক ব্যবহার ও পরিস্থিতি অনুযায়ী ফসল লাগানোর বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য পান না। এসব ক্ষেত্রে তাদের তথ্য প্রাপ্তির পথ করে দিতে এটুআই প্রোগ্রামের সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড (এসআইএফ)-এর সহায়তায় বাস্তবায়িত উদ্যোগ ‘কৃষকের জানালা’।

  • be-photo

    প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিশেষ ই-পরিষেবা

    বিস্তারিত

    পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্র(সিআরপি) থেকে প্রতিবছর প্রায় সাড়ে সাত হাজার মেরুদণ্ডের সমস্যার(Spinal Cord Injury) রোগীকে এবং প্রায় ৫০ হাজার অন্যান্য নানা রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকে। এই রোগীদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া বেশ ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। তাদেরকে কীভাবে বিশেষ ব্যবস্থায় কীভাবে পুনর্বাসনের অংশ হিসাবে নানা রকম তথ্য প্রদান করা যায় এবং তাদের জন্য তথ্যে সহজ অভিগম্যতা নিশ্চিত করার জন্য সিআরপি’র সহায়তায় এ টু আই সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের প্রকল্প ‘প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ই-পরিষেবা’ । প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে মিলেও একই রকমের উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে এ টু আই।

  • be-photo

    3D Printer ব্যবহার করে মানুষের কৃত্রিম হাত ও পা তৈরি

    বিস্তারিত

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির প্রতিবেদন অনুযায়ী সারা পৃথিবীর প্রায় ২.৭% মানুষ অঙ্গহানি সমস্যায় ভুগছে। বাংলাদেশে প্রতিদিন জন্মগত ও দুর্ঘটনাজনিত কারণে প্রচুর মানুষের অঙ্গহানি ঘটে। পঙ্গু হাসপাতালসহ সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে এদের চিকিৎসা দেয়া হলেও হানিত অঙ্গটি তাকে ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব হয় না, যার ফলে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা দিনে দিনে কমে চলেছে। শুধুমাত্র ঢাকা অঞ্চলে এই রকম পঙ্গু ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ। গুঁটি কয়েক ব্যক্তি অনেক টাকা খরচ করে উন্নত দেশগুলো থেকে কৃত্রিম অঙ্গ তৈরি করে আনছে, কিন্তু তাতেও অনেক সময় দেরী হয়। সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের সহায়তায় কয়েকজন ব্যক্তি উদ্ভাবক মিলে সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে একটি অত্যাধুনিক থ্রি ডি প্রিন্টার তৈরি করেছে যা ব্যাবহার করে মানুষের কৃত্রিম হাত ও পা তৈরি করে তা মানব শরীরে সংযোজন করা সম্ভব।

  • be-photo

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টেলিমেডিসিন প্রোগ্রাম

    বিস্তারিত

    গ্রামাঞ্চলে চিকিৎসকের অপর্যাপ্ততা আর প্রান্তিক মানুষের সামর্থ্যের কথা বিবেচনায় নিয়ে টেলিমেডিসিন ছড়িয়ে দেওয়ার এই উদ্যোগ। যোগ্যতাসম্পন্ন ডাক্তারেরা শহরে বসেই গ্রামীণ রোগীদেরকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কথা বলে ও ছবি দেখে পরামর্শ দিতে পারবেন – বাংলাদেশে বেশ কটি দল এ চেষ্টা চালিয়েও যাচ্ছে। এ টেলিমেডিসিন ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজি বিভাগে স্টেথোস্কোপ, ইসিজি ইত্যাদি অনলাইন যন্ত্র তৈরী করে কম্পিউটারে জুড়ে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার নিজেরাই উন্নয়ন করেছে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সারাদেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

  • be-photo

    কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা

    বিস্তারিত

    যে কোনো তথ্যের জন্য উপজেলা কৃষি অফিসে যাওয়ার সময় ও সুযোগ একজন কৃষকের থাকে না। এ কারণে কৃষি তথ্য সেবার জন্য তথ্যগুলোকে এক জায়গায় করে সেগুলো হালনাগাদকরণ, তথ্যের যাছাই ও সেগুলোর ব্যবহার করে কৃষকদের তথ্যসেবা দেওয়া দরকার। সে লক্ষ্যে কাজ ‘কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা’ প্রকল্পের।

  • be-photo

    কমদামী ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ

    বিস্তারিত

    সরকার প্রত্যেকটি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করলেও এখনো সারা দেশে প্রায় ৯৩০০ টি স্কুল বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাছাড়া প্রত্যন্ত অঞ্চলে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকেনা। এছাড়া বিদ্যুতবিহীন এলাকায় মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ স্থাপন করতে ব্যবহৃত সরঞ্জাম অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ইকো ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নামক প্রতিষ্ঠান এটুআই প্রোগ্রামের সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড এর মাধ্যমে ‘স্বল্প মূল্য ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ’ নামে একটি মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষের জন্য একটি ডিভাইস উদ্ভাবন করে। উদ্যোগটি বর্তমানে বান্দরবনের থানচি, কিশোরগঞ্জের ইটনা, খুলনার বটিয়াঘাটা ও পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া পাইলট আকারে চলছে। ক্রমান্বয়ে সারাদেশে এটা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।

  • be-photo

    ষষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ তৈরি

    বিস্তারিত

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপ অনুসারে মোট জনগোষ্ঠীর ১৫ শতাংশ মানুষ নানাভাবে প্রতিবন্ধী, বাংলাদেশে প্রায় ৪০ লাখ মানুষ দৃষ্টির সমস্যায় রয়েছেন। এ টু আই-এর সহায়তায় ‘ইপসা’ ইতোমধ্যে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ তৈরি করেছে। এর অনেকটা ধারাবাহিকতায় ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপকরণ তৈরির এই প্রকল্প।

  • be-photo

    ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের GIS ভিত্তিক অনলাইন ডাটাবেজ

    বিস্তারিত

    অনলাইনে দেশের ও দেশের বাইরে যে কোন স্থান থেকে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প খাতের সব ধরনের সর্বশেষ তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি সম্ভব হলেও সে ব্যবস্থা নেই। ছোট উদ্যোক্তা ও বড় বিনিয়োগকারীদের জন্য এ খাতের একটি বড় পরিসরের ডাটাবেস তৈরি করলে সেটার অভাব মেটানো সম্ভব।

  • be-photo

    খেলাচ্ছলে পাঠ

    বিস্তারিত

    মিথষ্ক্রিয়ার মাধ্যমে শিশুদের শেখানোর পদ্ধতি হলো ডিজিটাল বিজ্ঞান খেলা। যা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সনাতন ব্যবস্থা একটি আধুনিক পর্যায়ে নিয়ে যাবে। একটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি হবে যাতে সিলেবাসের সব বিষয় পেয়ে যাবে শিক্ষার্থীরা। খেলাচ্ছলে সবকিছু শিখে নেবে তারা।

  • be-photo

    ঝিনাইদহ পৌরসভায় মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইনে বিল প্রদান ব্যবস্থা

    বিস্তারিত

    মোবাইলে পৌর কর ও পানির বিল সংক্রান্ত তথ্য জানিয়ে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সে অর্থ আদায়ের জন্য এই প্রকল্প। এক্ষেত্রে গ্রাহক বিভিন্ন কর ও বিলের তথ্য এসএমএসে পাবেন আর পৌর অফিস বা ব্যাংকে না গিয়ে তা পরিশোধ করবেন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে।

  • be-photo

    যশোর জেলায় নির্যাতিত নারী ও শিশুদের আইনি সহায়তা

    বিস্তারিত

    যশোর জেলায় বিভিন্নভাবে নির্যাতিত নারী ও শিশুদের জন্য একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ এবং পৃথক ওয়েবসাইট তৈরি করা হবে এই প্রকল্পের আওতায়। এর মাধ্যমে একটি বিশেষ গ্রুপ তৈরি করা হবে, তারা সহায়তা প্রদানে সবসময় প্রস্তুত থাকবেন।

  • be-photo

    ডিজিটাল ব্রেইল

    বিস্তারিত

    ব্রেইল পদ্ধতির সঙ্গে মিল রেখে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য ডিজিটাল শিখন পদ্ধতির যন্ত্র তৈরি এই প্রকল্পের লক্ষ্য। যাতে শিশু থেকে শুরু করে সকল পর্যায়ের দৃষ্টিহীন মানুষ খেলাচ্ছলে নিজেদের মতো করে অক্ষরজ্ঞান নিতে পারবেন।

  • be-photo

    ই-বালাইনাশক প্রেসক্রিপশন

    বিস্তারিত

    ফসলে সময়মতো কীটনাশক ব্যবহার না করলে কিংবা সেটা ভুলভাবে ব্যবহার করলে কোনো সময় পুরো ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। সময়ের অভাবে কৃষক হয়তো কৃষি কর্মকর্তার কাছে যেতেও পারেন না। অনলাইনে বা মোবাইল ফোনের অ্যাপসে বালাইনাশকের তথ্য সবার জন্য সহজগম্য করলে এটা ফসল হানি থেকে মুক্তি মিলতে পারে। সবগুলো রেজিস্টার্ড বালাইনাশকের সমন্বয়ে একটি সফটওয়্যার, ওয়েবপেইজ এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরির কাজ করবে ‘ই-বালাইনাশক প্রেসক্রিপশন’ প্রকল্প।

  • be-photo

    ড্রেনের বর্জ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন পাম্প

    বিস্তারিত

    ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা ও ময়লা পানি সরিয়ে নিতে বিশেষভাবে তৈরি পাম্প বসানোর কাজ সম্পর্কে এই প্রকল্পে। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ২৬নম্বর ওয়ার্ড ঘিরে এই আইডিয়া আসলেও ক্রমান্বয়ে সেটা সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে।

  • be-photo

    Online Fertilizer Recommendation: Automation of data processing and data updating

    বিস্তারিত

  • be-photo

    স্বল্পমূল্যে বাক-প্রতিবন্ধীদের সহায়ক যন্ত্র

    বিস্তারিত

    বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ প্রতিবন্ধী মানুষের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাক সংক্রান্তু সমস্যাগ্রস্ত। কিন্তু তাদের মিথষ্ক্রিয়ায় সহায়ক যন্ত্রের দাম ২০ হাজার থেকে শুরু করে তিন লাখ টাকা হওয়ায় সেটা অনেকের নাগালের বাইরে। এই সমস্যাকে সামনে রেখে দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে স্বল্পমূল্যের বাক সহায়ক যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন কাজী বজলুর রহমান। ৭ হাজার টাকা আনুমানিক মূল্যের এই যন্ত্র আবিষ্কারে সহায়তা করেছে এ টু আই।

  • be-photo

    মা ও শিশু (Ma o Shishu)

    বিস্তারিত

  • be-photo

    অভিবাসী কর্মীদের অনলাইন প্রশিক্ষণ

    বিস্তারিত

    সরকারি হিসাবে প্রায় এক কোটি অভিবাসী শ্রমিক আছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। তাদের ঘাম জড়ানো অর্থে গড়ে উঠেছে আমাদের ২৯ বিলিয়নের রিজার্ভ। তাদের জন্য অনলাইন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ ‘অভিবাসী কর্মীদের অনলাইন প্রশিক্ষণ’।

1 / 1
আই্যাংক ব্যাংক কি ?
আমরা বিশ্বাস করি যে বাংলাদেশের জনগণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত সমস্যাগুলোর সমাধান অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশি জনগণের মধ্যে থেকে আসতে পারে। এই চিন্তা থেকেই বাংলাদেশ সরকার একটি অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যার নাম আইডিয়া ব্যাংক। এখানে আপনি আপনার দ্বারা চিহ্নিত কোন নাগরিক সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রেখে সংরক্ষণ করতে পারবেন, অন্যদের সাথে শেয়ার করতে পারবেন, এবং নিজের ইচ্ছে মতো প্রচার করতে পারবেন। আইডিয়া ব্যাংক ব্যবহার করে আপনি চাইলে আপনার প্রস্তাবিত সমাধান বাস্তবায়নের জন্যে প্রণোদনা কিংবা স্বীকৃতির জন্যে আবেদন করতে পারেন। আইডিয়া বাংক এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যা ব্যবহার করে আপনার প্রকল্প আপনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি গোছানো পদ্ধতিতে পরিচালনা করতে পারবেন। আইডিয়া ব্যাংক আপনাকে দিচ্ছে একটি ভার্চুয়াল জগত যেখানে আপনি সহজেই যোগাযোগ করতে পারবেন এবং একত্রে কাজ করতে পারবেন অন্যান্য উদ্ভাবক, গবেষক, শিক্ষাবিদ, মেন্টর, বিশেষজ্ঞ, নীতিনির্ধারক, বিনিয়োগকারী এবং দাতাসংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে।

চলমান প্রকল্প-সমূহ


  • অর্থের বিনিময়ে জীবন, সম্পদ বা মালামালের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি স্থানান্তরের আইনসিদ্ধ প্রক্রিয়া বীমা পদ্ধতি; সেটা জীবনবীমা, স্বাস্থ্যবীমা কিংবা অগ্নীবীমা যাহাই হোক না কেন। কিন্তু কিছু অসৎ ও প্রতারকের কারণে বীমার দাবিদাররা বঞ্চিত হন অনেক সময়। সেই প্রতারণা থেকে মুক্তির পথ খুঁজছে এ টু আই-এর সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের ‘মোবাইল ফোনে জীবন বীমা কর্পোরেশনের সেবা প্রদান’ প্রকল্প।
  • জটিল ভূমি ব্যবস্থাপনায় মামলাজটে বিপত্তিতে থাকেন সাধারণ মানুষ আর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দীর্ঘসূত্রিতার সুযোগে সাধারণ মানুষের ব্যয় বাড়ার সঙ্গে দালালের দৌরাত্ম্যও সেখানে বেশি। এমন অবস্থা থেকে কিছুটা মুক্ত হতে ‘এসএমএসে ভূমি অফিসের মামলা নিষ্পত্তির তথ্য’ দেওয়ার ব্যবস্থার করতে এই প্রকল্প।
  • ভূমি অধিগ্রহণ উন্নয়ন কর্মকান্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ঢাকা জেলায় জমির এমন অধিগ্রহণ অন্যান্য সব জেলার থেকে সর্বোচ্চ। এ জেলায় দেশের মোট অধিগ্রহণকৃত ভূমির ৭০শতাংশের মতো। ঢাকা জেলার ভূমি অধিগ্রহণ বিভাগের জন্য একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ক্ষতিপূরণ প্রদানের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা এর মাধ্যমে করা হবে। যাতে ব্যয় ও সময় বাঁচানোর পাশাপাশি ভূমি অধিগ্রহণ অফিস জনগণ এবং মানুষের কাছে অধিগ্রহণ অফিস কর্মকর্তাদের যাতায়াত কমে আসবে।
  • সরকারি জমি কতটুকু আছে এবং কী অবস্থায় আছে তার একীভূত কোনো ডাটাবেস নাই। সে কারণে প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে অনেক জমি। আবার লিজ দেওয়া জমিরও কোনো হিসাব এক জায়গায় নেই। ভূমি কর্মকর্তারাও সেভাবে ওয়াকিফহাল হন সরকারি সব জমি সম্পর্কে। সে কারণে ঢাকার কেরানিগঞ্জ এলাকায় সরকারি জমির অনলাইন ডাটাবেস তৈরি ও তথ্য বিতরণ।
  • ভূমি কর নির্ধারণ ও আদায়ের প্রক্রিয়া বেশ জটিল ও সময়সাপেক্ষ। সেই প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির বড় রকমের সুযোগ আছে। সেটা বন্ধ করার জন্য অনলাইন ভূমি কর নির্ধারণ ও আদায় পদ্ধতি। এই ভূমি কর নির্ধারণের ব্যবস্থা দ্রুততম সময়ে সঠিক সেবা গ্রাহকদের নিকট পৌঁছানোর জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ ও সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি দুর্নীতি ও অপকর্ম কমানো সম্ভব হবে।
  • সনাতন পদ্ধতিতে ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া জটিল ও সময়সাপেক্ষ হওয়ায় ঢাকা শহরে ৫০ হাজারের অধিক ব্যবসায়ীর ট্রেড লাইসেন্স নাই- এমন তথ্য আছে। এ কারণে সরকার শতাধিক কোটি টাকার রাজস্বও হারাচ্ছে। কিন্তু অনলাইনে সেই ট্রেড লাইসেন্স দেওয়ার পদ্ধতি গ্রহণ করলে এবং পদ্ধতিটি স্বয়ংক্রিয় হলে কাজটি সহজ হয়ে যাবে, সরকার কিংবা ব্যবসায়ী উভয়ের ক্ষেত্রে।
  • প্রচলিত ব্যবস্থায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে সিটি কর্পোরেশনের সেবা নেওয়ার বিপরীতে অবস্থান এই ‘ই-সার্ভিস ডেলিভারি’ প্রকল্পের। এ টু আই-এর সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ডের আওতায় রংপুর সিটি কর্পোরেশনে এই প্রকল্প চলমান থাকলেও এটা সম্পন্নের পর আইডিয়াটি অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনেও ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। মোবাইল এসএমএস কিংবা ই-মেইলের মাধ্যমে নাগরিকরা মা ও শিশুর টিকা, যে কোন ধরনের বকেয়া প্রভৃতির তথ্য পেয়ে যাবেন।
  • আনন্দের সাথে শিক্ষার মাধ্যমেই একটি শিশুর পূর্ণ শিক্ষা সম্ভব। কিন্তু আমাদের দেশে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীবান্ধব নয়। অনেক ক্ষেত্রেই তা ক্লান্তিকর। আবার ব্ল্যাকবোর্ড ও হোয়াইট বোর্ডে চক ও মার্কারের ব্যবহার শ্বাস-প্রশ্বাসের জটিলতাসহ নানা স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিন্তু বর্তমানে ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহার করে মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষে সহজে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। সেজন্য ’ডিজিটাল টাচ স্ক্রিন হোয়াইট বোর্ড’ ব্যবহার হলে পাঠদান পদ্ধতি আরও সহজ হয়ে যাবে।
  • ছোট থেকে বড় সব ব্যবসায়িক কাজে ট্রেড লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়ে। আবার এটা সিটি কর্পোরেশন কিংবা স্থানীয় প্রশাসনের রাজস্ব আয়ের অন্যতম বড় মাধ্যমে। কিন্তু সেক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে মানুষ এটা থেকে দূরে থাকে। অন্যদিকে, তথ্য না থাকায় কার লাইসেন্স নবায়নের সময় হয়েছে তা বের করা সময়সাপেক্ষ। এই প্রকল্পে সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্সের ডিজিটাল রেকর্ড প্রস্তুত করার পাশাপাশি পেমেন্ট সিস্টেম অনলাইনে করা হবে।
দর্শন
সেবা প্রদানে উদ্ভাবনের একটি সহজ সংজ্ঞা তৈরি করা হয়েছে। কোনটাকে উদ্ভাবন বলা হবে আর কোনটাকে না, সেটা নিয়ে যখন তুমুল বিতর্কের ঝড় চলছে সরকারের নানা পর্যায়ে, এটুআই থেকে এই সংজ্ঞাটি বেরিয়ে আসে এবং তা সরকারের সকল মহলে গৃহীত হয়। আমরা সে উদ্যোগটাকেই সোবায় উদ্ভাবন বলছি যা নাগরিকের সময় (Time) , খরচ (Cost) ও যাতায়াতে (Visit) কমায় এবং জীবন মানকে উন্নত করে । TCV কমানোর পরিমাণ যত বেশি, সে উদ্ভাবন তত বড় মাপের। সহজবোধ্য এবং সহজে বাস্তবায়নযোগ্য। সেবায় উদ্ভাবন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করেই হোক বা সেবার ধাপ কমিয়েই হোক, একটি উদ্যোগের আগে এবং পরে TCV কমানো সুনির্দিষ্টভাবে মেপে না দেখাতে পারলে সেটাকে উদ্ভাবন হিসাবে অভিহিত করা হচ্ছে না।

উদ্ভাবনের স্বীকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতার জন্য চলমান কার্যক্রম

উদ্ভাবনের স্বীকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতার জন্য চলমান কার্যক্রম
ইনোভেশন
বাংলাদেশী হিসাবে অত্যন্ত সৃষ্টিশীল এবং উদ্ভাবনী ক্ষমতা সম্পন্ন একটা জাতির উদ্ভাবনী মেধাবীদের মেধা সেবা থেকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বঞ্চিত থেকেছে সম্পূর্ণ জনগোষ্ঠী। ফলশ্রুতিতে মেধা পাচারের মতো পরিণতির পাশাপাশি আধুনিক রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে ওঠার দৌড়ে বাংলাদেশ বারবার পিছিয়ে পড়েছে। যথাযথ স্বীকৃতি ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে উদ্ভাবনী চিন্তাসমূহ আলোর মুখ দেখেনি; আগ্রহ হারিয়েছে উদ্ভাবনী চিন্তায় সক্ষম মেধাবীদের। প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যাশিক্ষার ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠিত পেশাজীবী সম্প্রদায় গড়ে ওঠার চাপে হারিয়ে গেছে স্বতঃস্ফূর্ত উদ্ভাবনী চর্চার। এরূপ বাস্তবতায় আধুনিক সেবাধর্মী রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে ওঠার প্রতিজ্ঞায় সময় এসেছে উদ্ভাবন, উদ্ভাবনী মানসিকতা এবং উদ্ভাবকদের চিন্তা কাজে লাগানোর। যার মাধ্যমে নিজ জনগোষ্ঠীর সমস্যা সমাধানে উদ্ভাবনী চিন্তার প্রয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। বিবিধ সমস্যা সমাধানে ভুক্তভোগী নাগরিকের চিন্তা কাজে লাগানোর এই প্রক্রিয়ায় অনন্য এবং স্বতন্ত্র সব সমাধানের প্রবল সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

Recent products

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টেলিমেডিসিন কার্যক্রম ‘ব্র্যাক মন্থন ডিজিটাল ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’
  • ব্র্যাক মন্থন পুরস্কার জিতল "ঢাকা পাবলিক টয়লেট আপ"
  • ব্র্যাক মন্থন পুরস্কার জিতল ‘কৃষকের জানালা’।
  • কৃষকের জানালা WSIS পুরস্কারে ভূষিত